Header Ads

মৃত্যু কেলেঙ্কারি" - (ফিরোজ হাসান)

 


 

রিষাণ একদৃষ্টিতে তার সামনে বসে থাকা মানুষটির দিকে তাকিয়ে আছে লোকটির এখানে আসার কথা নয় কারণ, রিষাণ গতকাল রাতে এই লোকটিকে খুন করেছে খুব নিখুঁতভাবে খুন খুনের পর লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে যখন লাশটি পুড়ছিল, তখন লাশের গা থেকে তেল চুয়ে চুয়ে পড়ছিল এখন ২৪ ঘণ্টা পর সেই লোকটি তার সামনে বসে আছে

 

লোকটির নাম ওসমান আলী সে কীভাবে ঘরের ভেতর ঢুকল, সেটাই রিষাণ বুঝতে পারছে না দরজা বন্ধ, অথচ ওসমান আলী এসে রিষাণকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে দিব্যি ভালো মানুষের মতো বলছে, "ভাইজান, কিছু খাবার দেন বড্ড না খাইয়া আছি, ভুখ লাগছে"

 

রিষাণ প্রথমে চমকে উঠেছিল, কিন্তু সাথে সাথে নিজেকে সামলে নিয়েছে সে ওসমানকে খেতে দিয়েছে, ওসমান খাচ্ছে বিষাণ মনে মনে ভাবছে, গতকাল নিশ্চয়ই ভুল লোককে হত্যা করেছে সে যার চেহারা অবিকল ওসমানের মতো রিষাণের খুব ভয় করছে কিন্তু সে চিৎকার করতে পারছে না কারণ, চিৎকার করে কোনো লাভ নেই, বরং ক্ষতি বেশি তার বাড়ির আশপাশে কোনো বাড়িঘর নেই মেঘ ডাকছে, যেকোনো সময় বৃষ্টি শুরু হতে পারে ওসমানের খাওয়া শেষ রিষাণ সাহস করে কথা শুরু করল-

 

রিষাণ : ওসমান

ওসমান : জি ভাইজান

রিষাণ : তুমি কেমন আছ?

ওসমান : আল্লায় রাখলে ভালোই আছি

রিষাণ : তুমি এখানে এলে কীভাবে?

ওসমান : তা তো জানি না ভাইজান চোখ মেইলা দেখি আমি আপনার পাশে খাড়াইয়া আছি

রিষাণ : গতকাল রাতে কী হয়েছে জানো?

ওসমান : জানি ভাইজান আপনি আমারে খুন করছেন, তারপর লাশ আগুন দিয়া পুড়ছেন

 

রিষাণের শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ঠান্ডা শ্রোত বয়ে গেল ব্যাপারটি সে বোঝার চেষ্টা করছে কথার ভেতর কেমন যেন একটা চালাকির ভাব আছে একেও শেষ করে দিতে হবে...

 

ওসমান : আমারে কয়বার খুন করবেন ভাইজান?

রিষাণ : তার মানে? তোমার কথা বুঝতে পারলাম না

ওসমান : আপনি কইলেন, একেও শেষ করে দিতে হবে....

রিষাণ : তুমি বুঝলে কী করে! আমি তো মনে মনে বলেছি


ওসমান এর জবাব দিল না চোখে-মুখে একটা তাচ্ছিল্য ভাব নিয়ে বিষাণের দিকে তাকাল বিষাণ এইবার সত্যিই খুব ভয় পেয়ে গেল এটা কীভাবে সম্ভব! তার মনের কথা সামনে বসা মানুষটি কীভাবে বুঝতে পারল তার পরও বিষাণ সিদ্ধান্ত নিল-লোকটি ওসমান বা যেই হোক, তার সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলবে মাথা ঠান্ডা রাখাটাই এখন বুদ্ধিমানের কাজ

রিষাণ : ওসমান...

ওসমান : জি ভাইজান বলেন....

রিষাণ : তুমি বলছ, গতকাল রাতে আমি তোমাকে খুন করেছি...

ওসমান : আমি বলব কেন? আপনি কাল যা ঘটাইছেন তা- বললাম

রিষাণ : আমি তোমাকে কেন খুন করেছি জানো?

ওসমান : জানি, ব্যাংক থাইকা যে টাকা চুরি করলেন....

রিষাণ : ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করেছি, সেটা তো তুমি দেখোনি ওটার সাথে তোমার কোনও সম্পর্ক নেই তা ছাড়া ঘটনা তো তোমার জানারও কথা না

ওসমান: ব্যাংক ম্যানেজার আপনার টাকা চুরির ঘটনা জানার কারণে তাকে আপনি খুন করলেন সেই খুনের দৃশ্য দেখল ব্যাংকের সিকিউরিটি কাশেম তাকেও আপনি খুন করলেন, আর কাশেমকে যখন খুন করলেন তখন দেখলাম আমি

রিষাণ: বুঝতে পেরেছি

রিষাণ একটি সিগারেট ধরিয়ে ওসমানকে বলল, “ওসমান, তুমি যে মারা গেছ সেটা কি বুঝতে পারছ?

ওসমান : জি ভাইজান পারতেছি

রিষাণ: তাহলে এখানে তুমি বসে আছ কীভাবে?

ওসমান : জানি না ভাইজান

রিষাণ: এই ব্যাপারটা শুধু তোমার বেলায় ঘটল কেন?

ওসমান: আমারে খুন করতে কেউ দেখেনি তো তাই...

রিষাণ: খুন করার সময় দেখাটা কি খুব জরুরি ছিল?

ওসমান: অবশ্যই ভাইজান অপরাধ কইরা পার পাইবেন তা তো হয় না

রিষাণ: তুমি কি তাহলে আমাকে শাস্তি দিতে এসেছ?

 

ওসমান কোনও জবাব দিল না ম্যাচের কাঠি দিয়ে কান চুলকাতে লাগল রিষাণকে দেখে বোঝা যাচ্ছে না যে, সে এখন ভীষণ চিন্তিত ওসমান এখানে কেন এসেছে, কীভাবে এসেছে, কীভাবে তাকে শাস্তি দেবে? এসব চিন্তাই রিষাণকে খুব ঘাবড়ে দিয়েছে

 

রিষাণ:  ওসমান, তুমি কি আমাকে মেরে ফেলতে এসেছ?

ওসমান: কী যে বলেন ভাইজান!

রিষাণ: তুমি ঘরে ঢুকলে কীভাবে?

ওসমান: ...ভাইজান, এক গেলাস পানি খাব ঠান্ডা পানি

 

রিষাণ রান্নাঘরের দিকে এগোচ্ছে সে এই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবে ঠিক বুঝতে পারছে না বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে এমন সময় কারেন্ট চলে গেল পরিস্থিতির সাথে সাথে বাড়িটিকেও ভুতুড়ে মনে হচ্ছে রিষাণের দাদা বানিয়েছিল এই বাড়িটি দাদার খুব শখের বাড়ি ছিল এটি কাঠের - দোতলা বাড়ি রিষাণ রান্নাঘরে পৌঁছানোর আগেই সেখানে ছোট্ট একটা আলো জ্বলে উঠল কে জ্বালাল? আলোর ধরন দেখে মনে হচ্ছে মোমবাতির আলো রিষাণ রান্নাঘরে ঢুকে চমকে উঠল ওসমান রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে আছে

 

রিষাণ: তুমি এখানে কখন এলে?

ওসমান: আমি তো এখানেই ছিলাম

রিষাণ: তার মানে? আমার সামনে দিয়ে এলে অথচ আমি দেখলাম না!

ওসমান: আমি আপনার সামনে দিয়ে আসিনি আমি অনেকক্ষণ ধরে রান্নাঘরেই আছি

রিষাণ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল- তুমি পানি খেয়েছ?

ওসমান: আমি কেন পানি খাব! পানি তো খাবে ওসমান

রিষাণ: ওসমান পানি খাবে মানে?

ওসমান: আপনি পানির বোতল নিয়া ঘরে যান

 

রিষাণ কিছু বলল না পানির বোতল হাতে নিল তার সাথে কী হচ্ছে এসব কোনও গেম খেলা হচ্ছে কি? এমন পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে গেলে চলবে না মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে ভয় প্রকাশ পেলেই বিপদ ঝাঁপিয়ে পড়বে পরিস্থিতি যত জটিল হবে, ততোই স্বাভাবিক আচরণ দেখাতে হবে যেন এটা কোনও ব্যাপারই না কোনও রকমে রাতটা পার করতে পারলেই চলবে রিষাণ পানির বোতল নিয়ে ঘরে ঢুকল এখানেও ওসমান বসে আছে রিষাণ

 

রিষাণ: ওসমান, পানি খাও

 

ওসমান পানি খেলো তখন হঠাৎ একজন মানুষের কান্নার আওয়াজ শোনা গেল রিষাণ কান্নার আওয়াজের দিকে একটু মনোযোগ দিল হ্যাঁ, পাশের ঘর থেকে কান্নার আওয়াজ আসছে

 

রিষাণ: কান্নার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি...

ওসমান: হ্যাঁ, ওসমান কানতাছে

রিষাণ: মানে? এখানে কয়জন...

 

রিষাণ চুপ করল এভাবে হলে ভয়টা প্রকাশ পেয়ে যাবে রিষাণ খুব স্বাভাবিকভাবে পাশের ঘরে যেয়ে দেখল ওসমান খাটের এককোনায় বসে কাঁদছে

 

রিষাণ: ওসমান, তোমার কী হয়েছে?

ওসমান: ভাউজান, আমি খুন হইছি ভাইজান আমি মইরা গেছি

রিষাণ: তুমি এই ঘরে এসো

 

ওসমান রিষাণের সাথে পাশের ঘরে চলে এল এই ঘরে এখন দু'জন ওসমান কিছুক্ষণ পর রান্নাঘর থেকে ৩য় ওসমান এসে ওদের সাথে যোগ দিল রিষাণ স্বাভাবিক ভাবটাকে আরও স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে প্রচণ্ড শব্দে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, সাথে রিষাণও বৃষ্টি হচ্ছে, সাথে দমকা হওয়া রিষাণের ঘুম পাচ্ছে ঘুমানোটা ভালো হবে নাকি খারাপ হবে ঠিক বুঝতে পারছে না

 

রিষাণ: তোমরা কি জানো আমি ব্যাংক থেকে কত টাকা চুরি করেছি?

ওসমান: জানি ভাইজান বাহাত্তর কোটি ষোলো লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা

রিষাণ: ঠিক বলেছ তোমাদের জানার কথা না, কীভাবে জানলে?

 

তিন ওসমানের কেউই এই প্রশ্নের জবাব দিল না একজন বলল, "ভাইজান, আপনার মনে হয় ঘুম পাইতাছে, আপনি ঘুমান"

 

রিযাণ: আমি ঘুমাব? আর তোমরা কি করবে?

ওসমান: আমরা পাহারাদার, আপনারে পাহারা দিমু

 

রিষাণ কিছু না বলে শুয়ে পড়ল রাত বাজে প্রায় ২টা সে অনেক চেষ্টা করল, কিছুতেই যেন ঘুমিয়ে না পড়ে কিন্তু শেষ পর্যন্ত কখন ঘুমিয়ে পড়ল, সে নিজেও বুঝতে পারল না

 

রিষাণের ঘুম ভাঙল বেশ হইচই শব্দে ঘড়িতে তখন প্রায় :১৫ বাজে নিচতলার হলরুম থেকে অনেক মানুষের হইচই করার শব্দ শোনা যাচ্ছে বৃষ্টি থেমে গেছে, আবহাওয়াটাও বেশ ঠান্ডা ঘরের ভেতর তিনজন ওসমান বসে ছিল এখন কেউই নেই সে আস্তে আস্তে সিঁড়ি ভেঙে নিচে হলরুমের দিকে এগোলো রিষাণ নিশ্চিত যে, হলরুমে সে ভৌতিক কোন ঘটনা ছাড়া আর কিছুই দেখবে না রিষাণ হলরুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলো

 


বিরাট হলরুমটি লোকজন দিয়ে ভর্তি রিষাণ কাউকে চিনতে পারল না সে হেঁটে হেঁটে সামনে এগোচ্ছে সবাই তখন এক সাথে বলে উঠল, “এসে গেছেন, আমাদের বিচারক এসে গেছেন" সবাই মিলে রিষাণকে সামনে সিংহাসনের মতো চেয়ারে বসতে বলল রিষাণ কোনও আপত্তি না করে বসে পড়ল এই মানুষগুলো কারা, এরা কী চায়, তাকে সবাই কিসের বিচারক বানাচ্ছে? অনেক প্রশ্ন মাথায় নিয়ে সে সবার দিকে এক নজর তাকাল ওসমানকে এক কোনায় বসে থাকতে দেখল রিষাণ তার পাশে ব্যাংক ম্যানেজার আনোয়ারুল হক সিকিউরিটি রফিকুল বসে আছে

 

কিন্তু রিষাণ তখনও বুঝতে পারেনি যে, হলরুমের সব মানুষই কোনও না কোনো ভাবে মারা গেছে শুধু সে ছাড়া সামনে থেকে একজন উঠে এসে বলল- মহামান্য বিচারক, আমরা আমাদের কাজ শুরু করে দিই?

 

রিষাণ: কিসের কাজ?

জনৈক: আমাদের এখানে একজন অপরাধী আছে সে ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করেছে তিনজনকে হত্যা করেছে তার বিচার হবে এখন

 

রিষাণ বুঝতে পারছে সেই অপরাধী সে নিজেই তাহলে সবাই মিলে তাকে কেন বিচারক বানাল? রিষাণ প্রাণপণ চেষ্টা করছে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার

 

রিষাণঃ তোমরা যার বিচার করবে, সে কোথায়?

 

রিষাণ দেখতে পেল, সবাই মিলে একজন মানুষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিল সে মানুষটি আর কেউ নয়, বিষাণ নিজেই বিষাণ চমকে উঠল

 

জনৈক: হুজুর, এই হচ্ছে অপরাধী

রিষাণ : কী নাম তোমার?

রিষাণ : জি আমার নাম রিষাণ

রিষাণ ১: কী করেছ তুমি?

রিষাণ : ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করেছি এবং তিনজনকে হত্যা করেছি

রিষাণ : তোমার অপরাধের জন্য কী শাস্তি দেওয়া হয়েছে?

রিষাণ জি, আমাকে হত্যা করা হবে

জনৈক: মহামান্য বিচারক, আমরা এই অপরাধীকে কীভাবে হত্যা করব?

রিষাণ ১: আমি জানি না

জনৈক: মৃত্যুর আগে এর অপরাধের একটা নোট লিখে রাখা উচিত বলে মনে করেন কি?

রিষাণ ১: লিখলে মন্দ হয় না

জনৈক: নোটে কী লেখা হবে?

রিষাণ ১: টাকা আত্মসাৎ তিনজনকে হত্যা করার জন্য আমার এই পরিণতি আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়

 

জনৈক: কিন্তু বেচারার হাত ভেঙে গেছে লিখতে পারবে না আপনি যদি লিখে দিতেন তাহলে ভালো হতো

 

রিষাণ কিছু না ভেবে কাগজে লিখল- “টাকা আত্মসাৎ তিনজনকে হত্যা করার জন্য আমার এই পরিণতি আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়

 

জনৈক: মহামান্য বিচারক, লেখাটার নিচে একটা স্বাক্ষর দিলে ভালো হতো

রিষাণ : ওটাও আমিই দিব? যে আসামি সে- স্বাক্ষর করুক

জনৈক: ওর তো হাত ভাঙা কিছুক্ষণ পর মরে যাবে একটু উপকার করেন জনাব

 

রিষাণ স্বাক্ষর করে দিয়ে বললো, "তাড়াতাড়ি ওর মৃত্যুদণ্ড করো আমি ঘুমুতে যাব"

 

জনৈক: কিন্তু হুজুর, ওকে কীভাবে হত্যা করব?

রিষাণ :...এক কাজ করো, ওকে ফাঁসিতে ঝুলাও

জনৈক: সেটা আবার কী জিনিস?

রিষাণ : ফাঁসি কী জিনিস তোমরা জানো না?

 

হলরুমের সবাই "না" বলল হলরুমের এক কোনায় দড়ি রাখা ছিল দড়িটা ফ্যানের হুকের সাথে অন্য প্রান্তে একটা গিট তৈরি করে দিয়ে রিষাণ বললো, "এই নাও এবার ওকে এতে ঝুলিয়ে দাও"!

 

জনৈক: এটাতে ঝুলিয়ে দিলে কি সত্যি সত্যি মারা যাবে!

রিষাণ : অবশ্যই মারা যাবে

জনৈক: আমার বিশ্বাস হচ্ছে না যদি না মরে!

রিষাণ : ওকে নিয়ে এসে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দাও অপরাধী রিষাণকে এনে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো কিন্তু কোনও কাজ হলো না সে স্বাভাবিকভাবে দড়িতে ঝুলতে লাগল

জনৈক: হুজুর, আমি আপনাকে প্রথমেই বলেছিলাম এটাতে কোনও কাজ হবে না

 


রিষাণ বেশ অবাক হয়ে গেল এমন তো হওয়ার কথা নয় ফাঁসির দড়িতে একজন মানুষ স্বাভাবিকভাবে ঝুলে থাকার কথা না রিষাণ পুরো সময়টাতে নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে রাখতে এখন তার আর খেয়ালই নেই যে, সে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আছে

 

জনৈক: হুজুর, ফাসির দড়িতে কোনও কাজ হবে না ফাঁসির দড়িতে কেউ মরে না বিশ্বাস না হলে আপনি নিজেই ট্রাই করেন

 

রিষাণ : কেন হবে না, হতেই হবে আমি দেখছি

রিষাণ ফাঁসির দড়ির দিকে এগিয়ে গেল-

 ........................................................................

সূর্য প্রায় মাথার ওপর রিষাণের বাড়ির সামনে অনেক মানুষের ভিড় পুলিশ ভিড় ঠেলে হলরুমে ঢুকল সেখানে ফাঁসির দড়িতে বিষাণ ঝুলছে নিচে একটা চিরকুট পড়ে আছে, তাতে লেখাটাকা আত্মসাৎ তিনজনকে হত্যা করার জন্য আমার এই পরিণতি আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”!

........................................................................

 

কোন মন্তব্য নেই

Popular Posts

Featured Post

টাইটানিক কি সত্যিই ডুবেছিলো!

  টাইটানিকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান White Star Line ১৯০৭ সালে ৩টি বিলাশবহুল সুপার লাইনার তৈরীর পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ...

Blogger দ্বারা পরিচালিত.