টাইটানিক মুভির কিছু অজানা তথ্য!
হলিউডের কিছু বিখ্যাত মুভির মাঝে একটি হচ্ছে ‘টাইটানিক’। আপনাদের মাঝে প্রায় সকলেই হয়তো Titanic মুভিটি দেখেছেন। এই মুভিকে ঘিরে কিছু অবাক করা তথ্য রয়েছে যা হয়তো অনেকেই জেনেন না!
★ 20th Century Fox Studio চেয়েছিলো টাইটানিকের প্রধান চরিত্রে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এর বদলে ব্র্যাড পিট অথবা টম ক্রুজকে রাখতে। কিন্তু, ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওকেই রেখেছিলেন।
★ রোজ এর চরিত্রে ‘কেইট উইন্সলেট’ এর বদলে পপ তারকা ‘ম্যাডোনা’ এর অভিনয়ের সম্ভাবনা ছিলো!
★ মুভিতে ২টি অংশ রয়েছে। ১টি রোজ এর বৃদ্ধ অবস্থা, যখন রোজ তার অতীতের কাহিনীটি বর্ণণা করে। মুভি থেকে রোজের বৃদ্ধ বয়সের ওই অংশটুকু কেটে শুধু অতীতের সময় রাখা হলে ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট হয়। আর ঠিক তত সময় (২ ঘন্টা ৪০ মিনিট) লেগেছিল টাইটানিক জাহাজটি ডুবতে।
★ মুভিতে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এর নাম ছিল জ্যাক ডাওসন (J. Dawson)। পরবর্তিতে জানা যায়, আসলেই টাইটানিক জাহাজ ডুবার সময় Dawson নামে এক জন ব্যক্তি ওই জাহাজেই নিহত হন। যার পুরো নাম ছিল জোসেফ ডাওসন (J. Dawson)।
★ মুভিতে জ্যাকের আঁকা সব ছবি গুলি, আসলে ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন এর আঁকা। এমন কি জ্যাক যখন রোজের এর ছবি আঁকছিল; তখন জ্যাকের (লিওনার্দো ডি কাপ্রিও) হাতের সিন গুলাতে যে হাত গুলো দেখানো হয়, সেই গুলো ছিল জেমস ক্যামেরুন এর হাত।
★ টাইটানিক জাহাজটি তৈরি করতে যত খরচ হয়েছিল, তার থেকেও বেশি খরচ লেগেছিল টাইটানিক মুভিটি বানাতে।
★ Titanic মুভিটি ৩ ঘন্টা ১৪ মিনিটের। কিন্তু প্রথম কাটে (First Cut) মুভিটি ছিল ৩৬ ঘন্টার।
★ রোজের বৃদ্ধ বয়সের অভিনয়টি যিনি করেছিলেন, তিনিই (গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট) একমাত্র টাইটানিক মুভির পুরো কাস্ট এর ভিতর টাইটানিক ডুবার বছরে (১৯১২ সাল) জীবিত ছিলেন। তিনি ১৯১০ সালে জন্ম গ্রহন করেন এবং ২০১০ সালে ১০০ বছর বয়সে মারা যান
★ পানির মধ্যে অভিনয়ের সময় কেইট উইন্সলেট ওয়েটস্যুট পড়েননি। যার ফলে তিনি অনেক দিন ধরে নিউমোনিয়ায় ভোগেন।
★ মুভির শেষের দিকে টাইটানিক যখন ডুবে গয়েছিল, তখন জ্যাক/রোজ এবং অন্যান্য অভিনয় শিল্পীদের শরীরে এবং চুলে যে বরফ ছিল, ওইগুলো আসলে বরফ ছিল না। সব ছিল মোম এবং এক ধনের পাউডার যা পানির স্পর্ষে এলেই ক্রিষ্টাল হয়ে যায়।
★ টাইটানিক মুভিটি আসলে ১টি স্টুডিওতে করা হয়েছিলো। আর যে রূপক জাহাজটিতে (রূপক টাইটানিক) এর শুটিং হয়, সে জাহাজটিকে পরে বর্জিত মাল হিসেবে বিক্রি করে দেয়া হয়।
★ ডিরেক্টর জেমস ক্যামেরুন চান নি যে টাইটানিক মুভিটিতে কোনও গান থাকুক। তবে ছবির মিউজিক কম্পোজার James Horner, সঙ্গিতশিল্পী Celine Deon কে একটি গান তৈরি করার জন্য বলেন। পরে Celine Deon একটি ডেমো গান তৈরী করেন এবং তা ডীরেক্টর জেমস ক্যামেরুনকে শুনান। আর তিনি গানটি শুনার পর ছবির শেষে গানটি রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আর সেই গানটিই হল বিখ্যাত “My heart will go on”।
★ টাইটানিক মুভিটি করতে খরচ লাগে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার। আর ছবিটি থেকে আয় হয় ২.১৮৭ বিলিয়ন ডলার।
★ জেমস ক্যামেরুন শুধু টাইটানিক মুভিটির ডিরেক্টরই ছিলেন না। তিনি একযোগে মুভিটির প্রডিউসার, রাইটার, এডিটর ও ডিরেক্টর ছিলেন।
★ মুভিটির শেষে যে দৃশ্যে জাহাজটি ডোবে, ঐ দৃশ্যে ৩,৫০,০০০ গ্যালোন পানি ব্যবহার করা হয়।
★মুভিটির নাম আসলে ছিল ‘Planet Ice’। যা পরে পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘Titanic.




কোন মন্তব্য নেই