Header Ads

শেষ মাত্রার সন্ধানে- (ফিরোজ হাসান)

 

- আবার কি হলো?

- কোন সিগনাল পাচ্ছিনা।

- সিগনাল পাচ্ছনা মানে? আমাদের সবকিছু ঠিক আছেতো!

- হ্যাঁ, সব কিছু ঠিক আছে, তবে...

এইটুকু বলে রুহান একটু থামলো। তারপর সবার দিকে চোখ ঘুরিয়ে নিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, “শুধু এইটুকু বোঝা যাচ্ছে যে, পৃথিবীর সাথে আমাদের পুরো যোগাযোগ ব্যাবস্থাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেরুহানের কথা শেষ হতেই হল রুমে পিন পতন নিরবতা নেমে এলো। শুধু শক্তিশালী জি-২১ ইঞ্জিনের শব্দের সাথে সবার হাত পা-ও কাঁপছে। এতবড় প্রজেক্ট কি তাহলে মাটি হয়ে যাবে? তাহলে নয়শ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পানিতে যাবে। তাতেও কোন ক্ষতি নেই, কিন্তু তাহলে পৃথিবীর মানুষের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

 

পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চল দূষিত হয়ে যাওয়ায় ওরা ১৫ জন অভিযাত্রী বের হয়েছে নতুন আবাসের খোঁজে। এমনকি নতুন আবাসের ঈঙ্গিতও পেয়েছে। ওরা ২৩ দিন আগে যাত্রা শুরু করেছে। আজ হঠাৎ করে পুরো যোগাযোগ ব্যাবস্থাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কিভাবে এমন হলো কেউ বুঝতে পারছে না। প্রায় চার ঘন্টা চেষ্টা করে সবাই হাল ছেড়ে দেবার মতো চেহারা নিয়ে হল রুমে বসে আছে। এমন সময় বাইরে থেকে তীব্র আলো রুহানদের মহাকাশযানের জানালার গ্লাস ভেদ করে তাদের হল রুমটি আলোকিত করলো। মনে হচ্ছে কিছু একটা ঘটবে। রুহান জ্ঞান হারিয়ে ফেললো।

 

রুহানের যখন জ্ঞান ফিরে এলো তখন সে মাথার পিছনে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করলো। হাত দিয়ে দেখলো বেশ খানিকটা কেঁটে গেছে। ব্যাপারটা সবটুকু বুঝতে তার কিছুটা সময় লাগলো। আস্তে আস্তে তার মনে পড়লো। তীব্র একটি আলো এসে পড়েছিলো তাদের মহাকাশযানে। তখন আলোর উৎস বা অবস্থান কিছুই বোঝা যায়নি। মহাকাশযানের মূল কম্পিউটারটি সঙ্গে সঙ্গে বিকল হয়ে যায় আর মহাকাশযানটি প্রচন্ড গতিতে কোন একদিকে ছুটতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে রুহান দৌড়ে গিয়ে একটি স্কাউটশিপে চড়ে। ঠিক তখনই সবগুলো ইমার্জেন্সি বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্কাউটশিপে বসে সে মহাকাশযান থেকে বের হয়ে যাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো ঠিক তখনই অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো। মহাকাশযানটি চড়কির মতো ঘুরপাক খেতে থাকে। যেন, রুহানের সিদ্ধান্ত সে জেনে গেছে এবং সেযেন বের হতে না পারে তার জন্য এই ব্যাবস্থা। তখনই রুহানের মাথায় আঘাত লাগে এবং সে জ্ঞান হারায়।

 

রুহান একটা ফাষ্ট এইড বক্স খুঁজে মাথায় ব্যান্ডেজ লাগায়। তারপর স্কাউটশিপ থেকে বের হয়ে মহাকাশযানের মূলকরিডরে হাঁটতে থাকে। যানটি মোটামুটি বিধ্বস্ত। রুহান এদিক ওদিক ঘুরে দেখে কিন্তু কোথাও কাউকে দেখতে পায়না। তখন সে মনেমনে ভাবে, মহাকাশযান থেকে সে স্কাউটশিপে চড়ে যেতে চেয়েছিলো, কিন্তু পারেনি। অন্যরা নিশ্চয়ই বের হয়েছে। এই ভেবে সে মহাকাশযানের মূল আউটগোয়িং গেটটি খুলেই চমকে উঠলো। অন্ধকার কালো মহাকাশে হাজার হাজার নক্ষত্র থাকার বদলে সেই অদ্ভুত তীব্র আলো দেখা যাচ্ছেরুহানের শরীরে অত্যাধুনিক স্পেসস্যুট থাকায় আলোর ক্ষতিকর দিক নিয়ে তাকে ভাবতে হলোনা। তবে এর তীব্রতা অনেক বেশী। রুহান কি করবে ঠিক বুঝতে পারেনা। এটা কোন জায়গা, কেমন জায়গা কিছুই বোঝা যাচ্ছেনা। তবুও সে তার সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করলো-

-তোমরা সবাই কোথায়? চিৎকার দিয়ে নিজেই আবার ভাবলো, কাজটা বোকার মতো হয়ে গেলো, মহাশূণ্যে তার চিৎকার কেউ শুনতে পাবেনা। ঠিক তখনই অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটলো। রুহানের কথাটা কেউ যেন পুনরাবৃত্তি করলো,“তো....রা  ..বা..  কো..থা..?

-কে কথা বলছে? রুহান আবার চিৎকার করলো।

আবারও পুনরাবৃত্তি হলো, “কে..  ..থা..  ....ছে?


রুহান ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছে। এমন কেন হচ্ছে? কেউ কি তার সাথে ইয়ার্কি করছে, নাকি প্রতিধ্বান? কিন্তু মহাকাশে প্রতিধ্বনি হওয়াতো দূরের কথা, কোন শব্দইতো কেউ শুনতে পাবেনা। মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলাচল করতে পারেনা। তাহলে এমনটা হলো কিভাবে? আর যদি প্রতিধ্বনিও হয়, তাহলে এমনভাবে কেন হবে? মনে হচ্ছে কেউ টেনে টেনে প্রতিটা অক্ষর আলাদাভাবে উচ্চারণ করছে। রুহান আবার চিৎকার করে বললো- “আপকি কে, কোথায় আপনি? এবার সত্যি সত্যিই প্রতিধ্বনির মতো শব্দ হলো। যেন রুহানের কথাই প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসছে। তবে একবার না, প্রতিধ্বনি হলো তিনবার-

আপকি কে, কোথায় আপনি। আপকি কে, কোথায় আপনি। আপকি কে, কোথায় আপনি

এবার রুহান বেশ ভয় পেয়ে গেলো। এটা কি মৃত্যুর পরের অবস্থা! নাকি কোন বর্ণহীন সাদা জগতে সে প্রবেশ করেছে। হঠাৎ রুহান লক্ষ্য করলো, কিছু একটা দেখা যাচ্ছে। অস্পষ্টভাবে দেখা গেলেও বোঝা যাচ্ছে যে, একটা হলরুম। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির টেবিলের মতো কিছু একটা। অস্পষ্ট হল রুমটি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে। তখন রুহান শুনতে পায় তাকে উদ্দেশ্য করে কেউ যেন বললো-“এসো ত্রিমাত্রিক প্রাণী, তোমাকে স্বাগতম জানাই।

রুহান অস্বস্তি নিয়ে এগুতে থাকে। এদিক ওদিক তাকিয়ে কাউকে না পেয়ে সে জিজ্ঞেস করে-“আপনি কোথায় আছেন?

- এইতো, তোমার সামনে।

- তাহলে আপনাকে দেখতে পাচ্ছিনা কেন?

- একটু অপেক্ষা করো। প্রাণের বিয়োজন একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

- তারমানে?

- আমরা চতুর্মাত্রিক প্রাণ। ত্রিমাত্রিক রূপ নিতে একটু সময় লাগছে। আচ্ছা তুমি এতক্ষণ কোথায় ছিলে? তোমাকে আমরা খুঁজে পেলামনা কেন?

- আমি স্কাউটশিপে ছিলাম। আমার সহকর্মীরা সব কোথায়?

- মনে হয় মারা গেছে।

- মারা গেছে! রুহান বেশ অবাক হয়। মনে হয় মারা গেছে”-এর মানে কি?

- মানে হচ্ছে আমরা তোমাদের মহাকাশযানে কিছুসংখ্যক তোমার মতো আকৃতির ত্রিমাত্রিক রূপ পেয়েছি যাদের কথা বলা বা একা একা চলার ক্ষমতা নেই। জড় পদার্থের মতো পড়ে আছে।

- মারা গেল কিভাবে?

- মনে হয় অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে।

- কি বললেন? আমাদের যানে অতিবেগুনী রশ্মি ফেলেছিলেন।

- হ্যাঁ। তবে অতিবেগুনী রশ্মি ত্রিমাত্রিক প্রাণীর চালিকা শক্তি নষ্ট করে দেয় তা বুঝতে পারিনি।

- কেন পারেননি? যেভাবে চালিকা শক্তি বলছেন তাতে মনে হচ্ছে, আমরা মানুষ না। ট্রাক অথবা জেনারেটর টাইপ কিছু একটা।

- অপ্রয়োজনীয় কথা বলা মনে হয় তোমার অভ্যাস। যাইহোক, তুমি জীবিত আছো এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা সুসংবাদ।

- কেন, আমি কি আপনাদের ত্রানকর্তা?

- অবশ্যই। ত্রানকর্তার চেয়েও অনেক বড় কিছু। তুমি যখন প্রথম কথা বললে, তখন আমরা সেটা পুনরাবৃত্তি করলাম। আসলে তোমার ভাষা কপি করে তোমার সার্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করছিলাম। তাছাড়া তোমাকে বিশ্লেষণ করে আমরা পৃথিবীর প্রায় যাবতীয় তথ্য পেয়ে গেছি। সেখানে এমন অনেক তথ্য আছে যা তুমি নিজেও জানো না। তোমার মৃত সহকর্মীদের কাছ থেকে কোন তথ্যই উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিলো না।



রুহানের মনে হলো সামনেই আবছাভাবে কিছু মানুষের শরীর ফুটে উঠছে। সেগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠতেই রুহান চমকে উঠলো। তার ১৪ জন সহকর্মী সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এদের মধ্যে থেকে একজন বললো-

-তুমি শান্ত হও রুহান। আমরা তোমার বন্ধু নই, তোমার বন্ধুদের রূপ ধারণ করেছি মাত্র।

রুহান হতাশ হয়ে জিজ্ঞেস করলো- এই জায়গাটা কোথায়?

- এটা সেন্ট্রা ছায়াপথ। এখান থেকে তোমাদের পৃথিবীর দূরত্ব ৬.২ গিগা অনুভূতি।

- দূরত্বের সাথে অনুভূতির কি সম্পর্ক?

- বিশাল দূরত্ব তোমরা সময় দিয়ে পরিমাপ করো। যেমন ধরো, আলোকবর্ষ। তাছাড়া তোমরা তো সময়কে মাত্রা হিসেবে ঠিক মতো ব্যবহার করতেও জানোনা। কিন্তু আমাদের কাছে সময় বলতে কিছু নেই। বলকে পারো আমরা সময় দিয়েই তৈরী। আমরা সময়কে নিয়ন্ত্রণ করে অতীত ভবিষ্যৎ পরিভ্রমণ করতে পারি। সেদিক থেকে দূরত্বকে আমরা অনুভূতি দিয়ে পরিমাপ করি। সেই হিসেবে এখান থেকে পৃথিবীর দূরত্ব তোমাদের ভাষায় সাড়ে চারশ কোটি আলোকবর্ষ।

- এত বিশাল দূরত্বতো আমরা পার হইনি?

- আমরা পার হয়েছি।

- আমার বন্ধুদের মৃত দেহ কোথায়?

- আমরা সেগুলো আলাদা করেছি।

- আলাদা করেছেন মানে?

- ত্রিমাত্রিক রূপ আমরা কোনদিন দেখিনি। তাই সেগুলোকে বিশ্লেষণ না করলে তোমাদের সম্পর্কে আমরা জানতে পারছিলামনা। তাছাড়া ঐ জঞ্জালগুলো নিয়ে কি হবে?

- আমি তাদের নিয়ে পৃথিবীতে চলে যাবো।

- নির্বোধের মতো কথা বলছো। জীবিত বা মৃত যেভাবেই থাকোনা কেন; তোমরা এখন বন্দি।

- কেন?

- আমরা তোমাদের পৃথিবী ও সৌরজগৎ দখল করতে যাচ্ছি।

- দখল! কিন্তু কেন?

- তোমাদের পৃথিবী এমন একটা জায়গায় অবস্থান করছে যেখান থেকে সূর্যেও অতিবেগুণী রশ্মিও সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব। তাছাড়া যে পরিবেশে তোমাদের ধ্যান ধারনার বিকাশ ঘটছে সেই পরিবেশে আমরা একটু চেষ্টা করলেই শেষ মাত্রাকে আয়ত্ত্বে আনতে পারবো।

- শেষ মাত্রা মানে! সেটা কি?

- অন্ধকার। অন্ধকারই হচ্ছে শেষ মাত্রা। এটি আয়ত্ত্বে আনতে পারলেই আমরা হয়ে উঠবো সর্বজ্ঞ। তখন আমরা ইচ্ছে করলেই আরেকটি অন্ধকার সৃষ্টি করতে পারবো। আরেকটা মহাকাশ কিংবা তোমাকে, অর্থাৎ আরেকজন রুহানকে সৃষ্টি করতে পারবো। আমরা হয়ে যাবো ঈশ্বর। কাল্পনিক ঈশ্বর নয় একেবারে সত্যিকারের ঈশ্বর। আমরা আজই পৃথিবীতে রওনা করবো।

- কতজন যাচ্ছেন?

- তোমরা যেকয়জন ছিলে, তাদের রূপ ধারণ করেই যাবো।

- মাত্র ১৫ জন! ১৫ জন মিলে পৃথিবীর ৯৫০ কোটি মানুষের সাথে লড়বেন?

- আমাদের বৃদ্ধি তোমাদের মতো দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার না। আমরা বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি ঘটাই। আমরা মূহুর্তে ১৫ জন থেকে হাজার, লক্ষ, কোটি বা তার চেয়েও বেশি হতে পারবো। পৃথিবীকে জয় করতে আমাদের খুব বেশী সময় লাগবেনা। ঐ গ্রহটা আমাদের চাই-ই চাই।

- আপনাদের যাত্রা শুভ হোক।

- এ কথা তুমি বলছো!

- এছাড়া আর কি বা বলতে পারি। আমার হয়ে একটা কাজ করতে পারবেন?

- কি কাজ?

- বিজ্ঞান কাউন্সিলের সাথে যোগাযোগ হলে প্রথম যে কথা বলবেন সেটা হলো, আমও গেল ছালাও গেল।

- এর মানে কি!

- মানে বোঝার দারকার নাই। আমার এই অনুরোধ রাখতে পারলে রাখবেন, না পারলে নাই।

- আচ্ছা ঠিক আছে রাখবো।

- আমাকে কি আপনারা মেরে ফেলবেন?

- তুমি কি পাগল নাকি? তোমাকে আমাদের চিড়িয়াখানায় রাখবো। সব চতুর্মাত্রিক প্রাণীর জন্য এটা অন্য রকম উপহার। সবাই তোমাকে খুব আগ্রহ নিয়ে দেখবে।

রুহান উদাসভাবে বসে রইলো। এই প্রথম তার নিজেকে ছাগল ছাগল লাগছে।

 


বিজ্ঞান কাউন্সিলের মনিটর রূমে সবাই একসাথে চিৎকার দিয়ে উঠলো। মহাকাশযানের সাথে আবার যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। মনিটরে এখনও কিছু দেখা যাচ্ছে না, তবে স্পিকারে কথা শোনা যাচ্ছে-

-হ্যালো, এটা কি বিজ্ঞান কাউন্সিল?

- হ্যা হ্যা। বিজ্ঞান কাউন্সিল। আপনি কে বলছেন রুহান নাকি এলট?

- আমও গেল ছালাও গেল।

- কি কি গেল?

- আমও গেল ছালাও গেল।

- এরমানে কি? আপনারা সবাই ভালো আছেনতো!

- আমও গেল ছালাও গেল।

নতুন আবাসের সন্ধানকারী যানটি আর ঘন্টাখানেকের মধ্যেই পৃথিবীতে আসছে। বিজ্ঞান কাউন্সিলের প্রধান অধিপতি মহামান্য বুকার্টি খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। চারিদিকে একটা উৎসব উৎসব ভাব। অভিযাত্রীদের স্বাগত জানানোর জন্য সব রকম ব্যাবস্থাই করা হচ্ছে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রধান একবার ভাবলেন, মহাকাশ যান থেকে প্রথম কথা হিসেবে একটা অপ্রয়োজনীয় কথা পাঠানো হলো কেন? এমন সময় তিনি ফোনে খবর পেলেন, অভিযাত্রীরা পৌছে গেছেন। তিনি প্রসংগটি ভুলে রওনা দিলেন।

.................................................................................

 

 

কোন মন্তব্য নেই

Popular Posts

Featured Post

টাইটানিক কি সত্যিই ডুবেছিলো!

  টাইটানিকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান White Star Line ১৯০৭ সালে ৩টি বিলাশবহুল সুপার লাইনার তৈরীর পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ...

Blogger দ্বারা পরিচালিত.